ভূমিকম্পের ক্ষতি থেকে বাঁচতে বাড়ি বানাতে অতিরিক্ত কত টাকা লাগে? How much extra money from earthquake damage

এখন ভূমিকম্প ঝুঁকি মাথায় নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করতে হয়। এক্ষেত্রে অনেকেরই অনীহা যে নির্মাণব্যয় বেড়ে যায়। কিন্তু আসলেই কী তাই? নির্মাণব্যয় যদি বাড়েই তাহলে কত বাড়ে। 

এছাড়া কীভাবে বাড়ি নির্মাণ করলে ভূমিকম্প ঝুঁকি কমবে সেটি নিয়েও রয়েছে ব্যাপক আলোচনা। তো প্রথমে আমরা এই আলোচন সারি যে  নতুন বাড়ির ক্ষেত্রে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে আসলে কী করণীয়।  

এক্ষেত্রে প্রথম কাজ হলো মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া। ওই জায়গার মাটি দেবে যাওয়ার প্রবণতা আছে কিনা তা দেখে বাড়ি নির্মাণ করতে হবে।

দক্ষ প্রকৌশলীকে দিয়ে নকশা তৈরি ও তদারকি করানো দরকার। অনেকে  এই কাজটি রাজমিস্ত্রিকে দিয়ে করান। এটা করলেই আপনার লাখ লাখ কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ জলে যাবে। 

ফাউন্ডেশন বা ভিত্তিপ্রস্তর কোর্ড অনুযায়ী রড ব্যবহার করতে হবে যা ভূমিকম্পের ধাক্কায় সহনশীল হবে। এক্ষেত্রে ভাল রড ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি ভাল মানের রড, সিমেন্ট ও বালু ব্যবহার করতে হবে। ভিত্তিপ্রস্তরে গ্রেটবিম কলাম সংযোগস্থলে প্রয়োজনীয় কোর্ড অনুযায়ী রঙ দিতে হবে।

কলামের রডে বাঁধনগুলোর শেষ মাথা ১৩৫ ডিগ্রি বাঁকানো হতে হবে এবং বাঁধনগুলোর মধ্যে ফাঁকা হবে কম। বিম কলামের সংযোগস্থলে জোড়া লাগানো যাবে না।

লিফট একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বহুতল ভবনে কংক্রিটের তৈরি লিফটের দেওয়াল প্রয়োজনমতো থাকা উচিত। এছাড়া পার্কিং বিম ও কলাম বরাবর বাহিরের দেয়াল প্রয়োজনমতো থাকা উচিত।

এবার প্রথম আলোচনায় আসা যাক। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে আসলে  প্রতিবর্গফুটে আসলে কত টাকা লাগে? এর সহজ উত্তর হলো ভূমিকম্পের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার জন্য অতিরিক্ত খরচ হবে প্রতি বর্গফুট  মাত্র ১০ থেকে ১৫ টাকা। অথচ বেশিরভাগ মানুষ এই টাকা খরচ করতে চায় না। 



Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি বানানোর আগে সতর্ক হোন

ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাড়িকে রক্ষার উপায় | Ways to protect your home from earthquake damage