আবাসন খাতে ধস, নতুন প্রকল্পও নেই Collapse in the housing sector

প্লট-ফ্যাট বিক্রি নেমেছে তলানীতে। এমনকি কোনো কোনো কোম্পানি কর্মীদের বেতন ও অফিস ভাড়াও দিতে পারছেন না। 

ড্যাপের কিছু ধারার কারণে নতুন প্রকল্পও শুরু করছে কোম্পানিগুলো। তাই আবাসন খাতে স্মরণকালের মধ্যে ভয়াবহ স্থবিরতা বিরাজ কছে বলে জানিয়েছেন রিহ্যাব সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, করোনার মধ্যেও এমন মন্দা ছিল না। কিন্তু এখন সরকারি কিছু পলিসির কারণে এই খাত সংশ্লিষ্টদের মাথায় হাত। 

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) জানিয়েছে, তাদের সদস্যদের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিক্রি কমে গেছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এতে অনেক কোম্পানি নিয়মিত বেতন-ভাতা দিতে পারছেন না তাদের শ্রমিক, কর্মচারী, কর্মকর্তাদের।

সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, রিয়েল এস্টেট খাতে সংকটের শুরু হয় ২০২৩ সালে, বিগত হাসিনা সরকারের ড্যাপ নীতির মধ্য দিয়ে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগ বন্ধ করে দেওয়ার পর এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। সেই সঙ্গে অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা গত এক বছরে উধাও হয়ে গেছেন বলে জানান তিনি। সব মিলে আবাসন খাতে ভয়ানক সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি জানান, গত এক বছরে নতুন প্রকল্প নেওয়ার হার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে নির্মাণ খাতে।

রিহ্যাব সূত্র জানিয়েছে, ২০২২ সালে নতুন বৈষম্যমূলক ড্যাপের কার্যক্রম শুরু হয়। ড্যাপের প্রজ্ঞাপন হওয়ার পর এফএআর (ফ্লোর এরিয়া রেশিও) হ্রাসের কারণে মূল ঢাকায় বেশিরভাগ ভবনের উচ্চতা কমে যায়। এতে কাজ বন্ধ করে দেন ছোট-বড় সব কোম্পানি। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ড্যাপ সংশোধন করার অনুরোধ করে রাজউককে বহুবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। মিটিং করা হয়েছে। কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য কারণে অগ্রগতি হয়নি। 

Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি বানানোর আগে সতর্ক হোন

ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাড়িকে রক্ষার উপায় | Ways to protect your home from earthquake damage